• শিরোনাম

    আমি কামলা ভাল হলে আপনাদের আবার ও কামের জন্য রাখবেন আমাকে ……মোকতাদির চৌধুরী এমপি

    চিনাইরবার্তা.কম এম.আমজাদ চৌধুরী রুনুঃ | শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

    আমি কামলা ভাল হলে আপনাদের আবার ও কামের জন্য রাখবেন আমাকে ……মোকতাদির চৌধুরী এমপি

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, আমরা কাজের লোক; কামলা। আমরা কমলাগিরি করতে পছন্দ করি।

    আজ শুক্রবার সকাল ১১ ঘটিকায়  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নে হেলিডে রোডের বোয়ালিয়া বিলের ওপর ১৫০ দীর্ঘ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পরবর্তী আলোচনা সভায় আখাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি এসব কথা বলেন।
    মোকতাদির চৌধুরী বলেন, এই ব্রীজটি(মুক্তযোদ্ধা সেতু) হয়ে গেলে আখাউড়া ও সদরের জনগণকে আর ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হবে না।

    ব্রীজটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সেতু’ নামকরণের প্রস্তাব রেখে তিনি বলেন, আমরা চান্দুরা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত সড়কটির নাম রেখেছি মুক্তিযোদ্ধা সড়ক। আমরা যারা মুক্তিযোদ্ধা আছি তারা কিছুদিন পর মারা গেলে নতুন প্রজন্ম হয়তো আমাদেরকে মনে রাখবে না। দেশে যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল এটির কথাও ভুলে যেতে পারে; এইজন্য আমি এই ব্রীজটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সেতু’ হিসেবে নামকরণ করার প্রস্তাব রাখছি।
    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, এই রাস্তাটির (হেলিডে রোড) ওপর অনেকগুলো ব্রীজ হয়েছে। আমরা আপনাদের কাছে বিনিময়ে কিছু চাই না; আমরা সরকারে থেকে আপনাদের খেদমত যেন করতে পারি এই সুযোগটুকু শুধু আপনারা রাখবেন।

    আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, নির্বাচন আসলে দেখা যায় কিছু কিছু লোক বিভিন্ন কথাবার্তা বলে নৌকার বিরুদ্ধে একটা প্রচার-প্রপাগাণ্ডা চালানোর চেষ্টা করে। আপনারা বিচার করে দেখুন নৌকা বঙ্গবন্ধুর সময় সাড়ে তিন বছর ক্ষমতায় ছিল, তারপর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ৫ বছর এবং ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষমতায়। মাঝখানে কী অন্য সরকার ছিল না? জিয়াউর রহমান ছিল না? এরশাদ ছিল না? এ-তো এ-তো দরদী মানুষ তারা,এই হেলিডে রোডের ওপর তারা যদি দুইটা কাজ করেছে দেখাতে পারে আমি তাদের কাছে সারেন্ডার্ড করব।

    তিনি আরও বলেন, হেলিডে রোডের পাকাকরণ কাজ শুরু হয় আমি যখন প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব ছিলাম সেই সময়ে। তার আগে এই রোডের কোনো কাজ হয়নি। কিন্তু ভোটটা আসলে কিছু লোক নৌকার বিরোধিতা করতে পাগল হয়ে যায়। কারণ নৌকায় ভোট দিলে মানুষের চলাচল ব্যবস্থা সুন্দর হয়।নৌকায় ভোট দিলে বৈষ্ণবপুরে বাচ্চাদের পড়াশোনার ব্যবস্থা হয়। বৈষ্ণবপুরে যদি পড়ালেখার ব্যবস্থা হয় তাতে যাদের কিছু টাকা-পয়সা আছে তাদের অসুবিধা। এইজন্য বৈষ্ণবপুরে পড়ালেখার দরকার নেই।

    মোকতাদির চৌধুরী আরও বলেন, আমরা তিতাস নদী খননের ব্যবস্থা করেছি। আমি এমপি হওয়ার আগে কেউ তিতাস নদী খননের উদ্যোগ নেয়নি। আমি এমপি হওয়ার পরে তিতাস নদী খননের উদ্যোগ নিয়েছি এবং আমিই একমাত্র এমপি যে তিতাস নদী খননের জন্য সহায়তা পেয়েছি।

    তিনি বলেন, আমরা এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করি। আমরা চাই এই কাজ করার সুযোগটা যেন থাকে।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এলজিআরডি প্রধান প্রকৌশলি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজলো নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব পংকজ বড়ুয়া, বাসুদেব ইউনিয়ন পরিয়দের চেয়ারম্যান জনাব মোবারসের আলম প্রমূহ।

    উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থতি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজলো আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব বাহার উদ্দিন বাহার,  জেলা ছাএলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাদাত হোসেন শোভন, সদর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসীম উদ্দিন রানা, সদর যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ শাহনেওয়াজ মোল্লা, মোঃ আবু নাহিদ সোহাগ, সদর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ পরশ চৌধুরী, বাসুদেব ইউনিয়ন  যুবলীগরে সভাপতি মোঃ শাহীন মিয়া সহ এলাকার গণমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

     

     

     

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে চিনাইরবার্তা.কম