• শিরোনাম

    যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৫ লাখ

    | সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

    যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৫ লাখ

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই মৃতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয় সময় রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) বৈশ্বিক এই মহামারিতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এই দেশটিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা মাইলফলকে পৌঁছায় বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি নিউজ। দেশটিতে লাখ লাখ লোককে করোনার টিকা দেওয়ার মাধ্যমে মহামারি নিয়ন্ত্রণের আশার মধ্যেই এ খবর সামনে এলো।

    জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ২৪ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এনবিসি নিউজ বলছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী মারা যাওয়া মোট মানুষের মধ্যে এক-পঞ্চমাংশের বেশি মানুষ মারা গেছে কেবল যুক্তরাষ্ট্রে। অবশ্য, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার পাঁচ শতাংশেরও কম মানুষ বসবাস করে দেশটিতে।

    মার্কিন এই গণমাধ্যমটির হিসেব মতে, স্থানীয় সময় রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় পাঁচ লাখ ৭০০ মানুষ মারা গেছে। এছাড়া দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৮২ লাখেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সতর্কতামূলক বিভিন্ন বিধিনিষেধ বজায় রাখার কথা জানিয়েছেন বাইডেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ দেশটির গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) পরিচালক ড. রচেল ওয়ালেনেস্কি রোববার রাতে এনবিসি নিউজকে বলেন, ‘আমাদের এখানে এখন প্রতিদিন প্রায় এক লাখ লোক নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এছাড়া প্রতিদিনই ১৫০০ থেকে তিন হাজার ৫০০ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে।’

    করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত মাসে সতর্ক করে বলেছেন, করোনাভাইরাসে আমেরিকায় ছয় লাখ লোক মারা যেতে পারেন।

    এদিকে বাইডেনের প্রধান চিকিৎসা উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফাউসি এনবিসি’র ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানকে বলেছেন, এটি ভয়ংকর। এটি ঐতিহাসিক। ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারির পর গত ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে আমরা এর কাছাকাছি ধরনেরও কিছু দেখিনি। ফাউসি আরও বলেন, মৃতের সংখ্যার দিকে তাকালে হতবাক হয়ে যাবেন। এটি অবিশ্বাস্য, কিন্তু সত্য।

    ফাউসির মতে, জানুয়ারিতে সংক্রমণ তীব্র হওয়ার পর এখন কমছে। কিন্তু স্বাভাবিক জীবন এখনও অনেক দূরের বিষয়।

    সূত্র: এনবিসি নিউজ

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে চিনাইরবার্তা.কম