• শিরোনাম

    নারী নেত্রী ও সমাজসেবী নিশাত চট্টগ্রাম বিভাগে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হলেন

    | বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

    নারী নেত্রী ও সমাজসেবী নিশাত চট্টগ্রাম বিভাগে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হলেন

    সমাজ উন্নয়নে অসামান্য ভূমিকার জন্যে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও সমাজসেবী, সাপ্তাহিক গতিপথ সম্পাদক,টিভি সাংবাদিকতায় সালমা-সোবহান ফেলো এডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত। বুধবার চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননা ও সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এমপি।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কাজী রওশন আক্তার,জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান,সাবেক এমপি চেমন আরা তৈয়ব,এডিশনাল ডিআইজি মো: জাকির হোসেন খান। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ এনডিসি। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসকগন উপস্থিত ছিলেন। জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মসূচীর আওতায় ২০১৯ সনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃনমুলের সফল নারীদের সম্মাননা জানানোর পদক্ষেপ হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলার ৫৪ জনের মধ্যে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৫ জনকে বিভাগের সেরা জয়িতা নির্বাচন করা হয়। এরমধ্যে ‘সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী’ ক্যাটাগরিতে বিচারকমন্ডলীর সিদ্ধান্তে নিশাত শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হন। এরআগে তিনি একই ক্যাটাগরিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।
    আইনপেশায় নিযুক্ত নিশাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অবহেলিত নারী ও প্রতিবন্ধিদের জন্যে সার্বক্ষনিক কাজ করছেন। পারিবারিক কলহে অসহায় নারীদের আইনী সহায়তা প্রদান, দরিদ্র নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনে তার ভূমিকা অসামান্য। ২০১৪ সালে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর সদরের সুহিলপুর ইউনিয়নের ঋষি সম্প্রদায়ের অবহেলিত নারীদের জীবন বদলে দিতে তার গৃহিত পদক্ষেপ অনেক প্রশংসিত।
    সেখানে স্থায়ী প্রশিক্ষন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে ঋষিপাড়ার ৩৭৫ পরিবার থেকে একজন করে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেন। তাদের মধ্যে নিয়মিত প্রশিক্ষন গ্রহন করে ৫০ জনেরও বেশী নারী নিজের জীবন বদলাতে সক্ষম হন।এছাড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে এক হাজারেরও বেশী নারী প্রশিক্ষিত হয়েছেন তাসলিমা সুলতানার উদ্যোগে। জাতিসংঘের ইউএন উইম্যান এবং ইউএন সিডিএফ প্রতিনিধিদল ছাড়াও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিনিধি দল তার এসব কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। নারী উন্নয়ন ফোরামের প্রকল্প ‘অপারিজতা’র জন্যে বিভাগীয় পর্যায়ে উদ্ভাবনী পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।
    প্রতিবন্ধীদের সেবায়ও দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োজিত রয়েছেন এই নারী নেত্রী। সুইড বাংলাদেশ পরিচালিত আসমাতুন্নেছা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল-এর প্রতিষ্ঠাকাল থেকে ১৫ বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বর্তমানে সুইড বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাধারন সম্পাদক।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে চিনাইরবার্তা.কম