• শিরোনাম

    নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলে নিতে বললেন গয়েশ্বর

    | মঙ্গলবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১

    নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলে নিতে বললেন গয়েশ্বর

    দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে সফল করতে কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘রাজপথ আমাদের দখলে নিতে হবে। রণাঙ্গনের সকল পথ-ঘাট জনগণের দখলে নিতে হবে। কারণ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মধ্য দিয়েই দেশের গণতন্ত্র মুক্তি পাবে।’

    সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেগম জিয়ার কারাবন্দি জীবনের তিন বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত কেন্দ্রঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশে গয়েশ্বর এসব কথা বলেন।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করতে হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তি হলে দেশে গণতন্ত্রের নেতৃত্বের মুক্তি হবে। তিনি (খালেদা জিয়া) মুক্ত হলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশের মাটিতে থাকতে হবে না। তিনিও তখন (তারেক রহমান) বাংলাদেশের মাটিতে এসে জনগণকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।’

    সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে শাস্তির নামে অপমান করা হয়েছে। তিনি কোনো অন্যায় করেননি। তিনি কোনো টাকা আত্মসাৎ করেননি। তার সম্পদের হিসাব ডিউককে দিয়েছিল। তারপরও কেন তাকে কারাগারে দেয়া হলো? কারণ বিদেশের তাবেদারি করতে হলে খালেদা জিয়া মুক্ত থাকতে পারে না। গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্র তৈরি করতে গেলে তিনি বাইরে থাকতে পারেন না। বাংলাদেশে দুর্নীতির অভয়ারণ্য তৈরি করতে হলে খালেদা জিয়াকে জেলে বন্দি করে রাখতে হয়।’

    কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা টিভি চ্যানেল প্রসঙ্গে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা কখনো আল-জাজিরা টিভি চ্যানেল দেখতে চাইনি। এখন দেখতে হচ্ছে কেন? তারা বাংলাদেশের দুর্নীতির চিত্রের এক হাজার ভাগের এক ভাগ দেখিয়েছে। সরকার স্বভাবসুলভভাবে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে এ প্রতিবেদনটির প্রতিবাদ জানায়। তথ্য-প্রমাণ দিয়ে সরকারকে প্রমাণ করতে হবে যে, আল-জাজিরার প্রতিবেদন সত্য নয়।’

    দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমি বারবার বলছি, আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাবো, আমরা রাজপথ ছাড়বো না। আমাদের কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে। রাজপথ আমাদের দখলে নিতে হবে। রণাঙ্গনের সকল পথ-ঘাট জনগণের দখলে নিতে হবে।’

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।

    এছড়াও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহ-সভাপতি নবী উল্লাহ নবী, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, উত্তরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু প্রমুখ।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে চিনাইরবার্তা.কম