• শিরোনাম

    রাশিয়ার উদ্যোগে ফের এক টেবিলে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান

    | মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি ২০২১

    রাশিয়ার উদ্যোগে ফের এক টেবিলে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান

    রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ফের বৈঠকে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান। তবে সাক্ষাতে একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করেননি দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। শান্তি প্রস্তাবের পর এই প্রথম দেখা হলো আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের রাষ্ট্রপ্রধানদের এটাই প্রথম বৈঠক। খবর রয়টার্সের

    সোমবার মস্কোয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। নাগর্নো-কারাবাখের বর্তমান পরিস্থিতি, দুইপক্ষের আটক সৈন্যদের হস্তান্তরের বিষয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি ফের বৈঠকে বসবে আজারবাইজান-আর্মেনিয়া।

    নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান। এর আগে নব্বইয়ের দশকে তাদের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। আন্তর্জাতিকভাবে নাগর্নো-কারাবাখ আজারবাইজানের জায়গা বলে স্বীকৃত। কিন্তু সেখানে বসবাস করেন আর্মেনিয় জনগোষ্ঠীর মানুষ। ফলে কার্যত একটি স্বতন্ত্র সরকার সেখানে তৈরি করে ফেলেছিল আর্মেনিয়ার মানুষ।

    তাদের মদত দিয়েছিল আর্মেনিয়ার সরকার। এই বিষয়টি নিয়েই সেপ্টেম্বরে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। বেশ কিছু দিন যুদ্ধের পরে আজারবাইজান অনেকটা জমিই পুনরুদ্ধার করে। বস্তুত, নাগর্নো-কারাবাখের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলি আজারবাইজানের হাতে চলে আসে।

    এই পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতার জন্য আসরে নামে রাশিয়া। বেশ কয়েকবারের চেষ্টায় তারা দুই দেশের মধ্যে একটি শান্তিপ্রস্তাব প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যাতে ঠিক হয়, এই মুহূর্তে যে যেখানে অবস্থান করছে, সে সেখানেই থাকবে। আজারবাইজান বিষয়টিকে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখে। আর্মেনিয়ায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। বেশ কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। আজারবাইজান নাগর্নো-কারাবাখের বহু এলাকায় দেশের পতাকা লাগিয়ে দেয়।

    যুদ্ধ থামলেও দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক থামেনি। এখনো বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। তারই মধ্যে সোমবার আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনয়ান মস্কোয় পৌঁছান। সেখানে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়।

    রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এদিনের বৈঠকে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান করমর্দন করেননি। পুতিনকে দুই দেশই যুদ্ধবন্দিদের ছাড়ার বিষয়ে সক্রিয় হতে আর্জি জানিয়েছেন।

    পুতিন জানিয়েছেন, শান্তি প্রস্তাবের পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনার সময় হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এখনো যা বিতর্ক আছে, তার শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে চিনাইরবার্তা.কম