• শিরোনাম

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমজমাট পাখির হাট

    | মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি ২০২১

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমজমাট পাখির হাট

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্রি হচ্ছে নানান জাতের রং-বেরঙের পাখি। দেশের বিভিন্নস্থান থেকে শতাধিক প্রজাতির পাখি নিয়ে বিক্রেতারা ছুটে আসেন এই হাটে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, স্থায়ী জায়গার অভাবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দিনদিন জমজমাট হচ্ছে পাখির হাট। প্রথমে সৌখিন মানুষের চাহিদা পূরণে কয়েকজন কবুতরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি বিক্রি করলেও এখন বিক্রি হচ্ছে নানান জাতের পাখি। এর মধ্যে রয়েছে ঘিরিবাজ, বাজিকর, হোয়াইট কিং, বোম্বাই কবুতর, কালদুম, হারবার্ড, জ্যাকোবিন, অষ্ট্রেলিয়ান ঘুঘু।

    পাখি কেনায় তরুণদের সংখ্যাই বেশি। প্রতিহাটে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার পাখি বিক্রি হয়। তবে নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

    ক্রেতারা জানান, শখের বসে পালন পরি, যার জন্য বাজারে এসে যেটা পছন্দ হয় সেটাই কিনে থাকি। বাজারে ১০-১৫ হাজার টাকা দামের কবুতর আছে, আবার ১ হাজার-১২শ’ টাকা দামেরও আছে। আগামীকাল এখানে নয় অন্যদিকে যায়, যার কারণে পাখির বাজারটা জমে উঠছে না। আমরাও সুবিধা মতো কিনতে পারছি না।

    পাখি ব্রিক্রেতারা জানান, বাজারের স্থায়ী কোন জায়গা আমাদেরকে দিচ্ছে না পৌরসভা। অস্থায়ীভাবে আজকে এখানে তো কালকে ওখানে- এইভাবেই চলছে।

    এদিকে হাটের স্থান নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান পৌর মেয়র।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির বলেন, আমরা যদি ভবিষ্যতে কোন জায়গা দিতে পারি, তাহলে সেখানে তাদেরকে ব্যবস্থা করে দিব।

    পাখি পালনে অসামাজিক কাজ ও মোবাইল আসক্তি থেকে নতুন প্রজন্ম রক্ষা পাচ্ছে বলে মন্তব্য করলেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা এবিএম সাইফুজ্জামান বলেন, মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তো, সেখানে এটা একটা শখ হিসেবে ওই সময়টা আর নষ্ট হচ্ছে না।

    ইট-পাথরের নাগরিক জীবনে পাখির প্রতি ভালোবাসা বাড়ুক সবার, এমনটাই চাওয়া পাখিপ্রেমীদের।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে চিনাইরবার্তা.কম