• শিরোনাম

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরে পুলিশের সামনে প্রতিপক্ষের বাড়ী ঘরে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুরের অভিযোগ।

    চিনাইরবার্তা.কম মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর । | বুধবার, ০৩ জুন ২০২০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরে পুলিশের সামনে প্রতিপক্ষের বাড়ী ঘরে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুরের অভিযোগ।

    জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের জেঠাগ্রামে পূর্ব শক্রতা ও হাওড়ে ধান কাটা কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষের জের ধরে পাল্লাপাটি মামলা ও পুলিশ এসল্ট মামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে পুলিশের সাথে আসামীর বাড়ী দেখিয়ে দিতে গিয়ে প্রতি পক্ষের হামলায় সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর গুজবে প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলায় বাড়ী ঘর ভাংচুর, নগদ টাকা, স্বর্ণাংলকার ,গরু- বাছুর ও মূল্যবান দ্রব্য সামগ্রী লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    জানা গেছে, ১৮ এপ্রিল ২০২০ গোকর্ণ ইউনিয়নের জেঠাগ্রাম সূচ্উীড়ায় নাগরের গোষ্ঠী ও বড় বাড়ীর গোষ্ঠীর মাঝে তিতাস নদীর পাড়ে হাওড়ে ধান কাটা ও মাড়াইকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশ সহ প্রায় ৭০ জন আহত হয়। ওই ঘটনায় মুখলেছুর রহমান পাঠান ও আশিকুর রহমান পাঠান বাদী হয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করে। অপরদিকে নাসিরনগর থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে উভয় পক্ষের ৫৮জন অজ্ঞাতনামা আরো ৫০০/৫৫০ জনকে আসামী করে নাসিরনগর থানায় একটি পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করে। ওই ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত ১২ জনকে পুলিশ এসল্ট মামলা ও আরো বেশ কয়েকজনকে উভয় পক্ষের মামলায় গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

    সোমবার রাতে বাদী পক্ষ পুলিশ নিয়ে আসামী ধরতে সূচীউড়া গ্রামে যায়। এ সময় পুলিশ যখন বাড়ীর ভিতরে যায়, তখন রাস্তায় দাড়িয়ে থাকায় সাহাবুদ্দিনের উপর পুলিশের উপস্থিতিতে ইসহাক মিয়া সহ কয়েকজন হামলা চালায়। এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তারা পালিয়ে যায়। আহত সাহাবুদ্দিনকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পর সাহাবুদ্দিন মারা গেছে গুজবে প্রতিপক্ষের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে মহিলা ও শিশুদের মারপিট করে বাড়ী ঘর ভাংচুর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও গরু-বাছুর লুট করে নিয়ে যায় বলে নাগরের গোষ্টীর লোকজন জানায়। তারা আরো জানায়, বড়গোষ্টীর সাথে এলাকার বি,এন,পির লোকজন মিলে প্রতিদিন পুলিশের উপস্থিতি এমন জগন্য ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা জানায়, পুলিশ ও ্বড় বাড়ীর গোষ্ঠীর লোকজনের ভয়ে নাগরের গোষ্ঠীর লোকজন নদী পাড় হয়ে হাওড়ে বসবাস করছে। আর এই সুযোগে খালি বাড়ীতে বড়বাড়ীর গোষ্ঠীর লোকজন তাদের মহিলা ও যুবতী মেয়েদের মারপিট করে ঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, গরু বাছুর জোর পূর্বক লটু করে নিয়ে যাচ্ছে। সাহাবুদ্দিন নিহতের ঘটনায় হামলা ও ভাংচুরের বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্থের সত্যতা স্বীকার করে নাসিরনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ কবির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে চিনাইরবার্তা.কম